উসমানিয়া গ্লাসের শেয়ারদর বেড়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ

বিবিধ খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি উসমানিয়া গ্লাস শিট ফ্যাক্টরি লিমিটেডের শেয়ারদর গত সপ্তাহে ২৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ বেড়ে ৫০ টাকা ৬০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ৩৯ টাকায়। এতে সপ্তাহ শেষে কোম্পানিটির শেয়ার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূল্যবৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ২২ জুন ডিএসইতে উসমানিয়া গ্লাসের শেয়ারদর ছিল ৩৭ টাকা ৩০ পয়সা। এর পর থেকেই শেয়ারটির দর ঊর্ধ্বমুখী। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার শেয়ারটির দর দাঁড়িয়েছে ৫০ টাকা ৬০ পয়সায়। এ সময়ে শেয়ারটির দর বেড়েছে ৩৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) উসমানিয়া গ্লাসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩ টাকা ৭২ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩ টাকা ৭৮ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৬১ টাকা ২ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে উসমানিয়া গ্লাসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫ টাকা ৩৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ৯২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৪ টাকা ৭৩ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি উসমানিয়া গ্লাসের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরের কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৬ টাকা ৯২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৯৪ পয়সা।

৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৭০ টাকা ৬ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি উসমানিয়া গ্লাসের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরের কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫ টাকা ৯৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৬৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৭৬ টাকা ৯৭ পয়সায়।

১৯৮৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত উসমানিয়া গ্লাসের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৭ কোটি ৪১ লাখ ১০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৯৫ কোটি ২৮ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৭৪ লাখ ১০ হাজার ৯০০। এর ৫১ শতাংশ রয়েছে সরকারের কাছে। এছাড়া উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে ২ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকরীদের কাছে ১৪ দশমিক ৪১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩২ দশমিক ৫৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

আরও